Skip to main content

জলপ্রপাতের নীচে আমার সলিল সমাধি যেভাবে ভেস্তে গেলো!

আমাদের যাযাবর ঘর
আমাদের যাযাবর ঘর...
দলিয়ান পাড়া থেকে আসার পথে জুমে ল্যাটানো হচ্ছে!

সকালে দলিয়ান পাড়া থেকে রওনা দিয়ে সারাদিন মোটামুটি একটানা হেঁটে আমরা যখন গন্তব্যে পৌঁছলাম তখন প্রায় সন্ধ্যা!
সারারস্তা খুবই উপভোগ্য ছিল।
মাঝেমধ্যেই অসাধারণ কিছু জুম ঘরের দেখা পাওয়া, আকাশভাইএর কাওইয়ালি গলায় গলা ছেড়ে গাওয়া গান যেটা কিনা আশেপাশের পাহাড়ে প্রতিধ্বনি হচ্ছে, আমাদের হাসি ঠাট্টা...
সারারাস্তা এভাবেই হাসি আনন্দে উল্লাসে এসেছি সবাই!
 নাফাখুমে আমরা আজকে ক্যাম্প করব ।
দলিয়ান পাড়া থেকে রেমাক্রি ফিরে যাওয়ার নতুন রাস্তা আবিষ্কার হিসাবে আমরা এই পথ বেছে নেই অনেকটা এডভেঞ্চারের সখে!
তখন শীতকাল!
পাহাড়ি শীত এমন ঠাটিয়ে নামে রাতে, মনে হবে বাংলাদেশের কোথাও না, যেন আলাস্কায় আছি!
আমরা সবাই প্রপাতের আশেপাশে ইতস্ত ঘুরাঘুরি করে যারযার মত উপভোগ করছি এমন সময় আমাদের চমকে দিয়ে ঝুপ করে সাইফ দেখি খুমে ঝাঁপ দিলো!
ওকে ইতস্ত সাঁতরে বেড়াতে দেখে আমারও লোভ লেগে উঠলো।
কিন্তু পরক্ষণেই মনে হলো, শেষ সাঁতার কেটেছিলাম বোধহয় ১০/১২ বছর আগে তাও গ্রামের ছোট্ট পুকুরে!
আমি এসব সাতপাঁচ ভাবতে ভাবতে সাইফ খুম থেকে উঠেও গেলো!
আমি হতাশ হয়ে বললাম "আপনি উঠে গেলেন! ভেবেছিলাম আমি নামবো"
সাইফ সাথে সাথেই বললো "তো নামেন আসেন!"
এবার আকাশভাই আমাদের (pun)কাপলকে উস্কে দিয়ে বললেন, "হ্যাঁ! যান নামেন! দরকার হলে সাইফ নামবে আবার আপনার সাথে!" 
এরপর বাকিরাও সোৎসাহে হৈহৈ করে সমর্থন দেয়া শুরু করলো!
সাইফ বেচারা ওদিকে দাঁড়িয়ে ঠিঠি করে কাঁপতে কাঁপতে আমাকে তাড়া লাগালো "আসলে এখনি আসতে হবে কিন্তু। 
কারণ পানির চাপ আস্তে আস্তে বাড়ছে!"
ওদিকে সাকিব ক্যামেরা নিয়ে রেডি "নামো নামো! জলদি নামো। সাইফভাই থাকতে ভয় কিসের!"
কিন্তু সত্যি বলতে যেই তীব্র গর্জনে খুমে জলপ্রপাত আছড়ে পড়ছে, এটা দেখেই আমার হাত-পা ঠান্দা হয়ে যাচ্ছে!
চিন্তা করছি বর্ষাকালে কি অবস্থা হয় এর!

সাইফ অলরেডি আবার ঝাঁপ দিয়েছে!
তো সেই একযুগ আগের অভিজ্ঞতা আর  অবশ্যই সাইফের ভরষায় আর কোনো চিন্তাভাবনা ছাড়াই ঝাঁপ দিলাম নাফাখুম জলপ্রপাতে!!!
*
মানে আমিত আর সিনেমার নায়িকা না!
সুতরাং ব্যাঙের মত লাফ একটা দিতেই ঝুপ করে খুমে পড়েই তলিয়ে গেলাম!
আর তাতেই ভয় পেয়ে হাঁচড়ে পাঁচড়ে কোনোমতে ভেসে উঠলাম!
উঠে যেন আরো বিপদ!
আমি একদিকে যেতে চাই, পানি আমাকে আরেকদিকে নিয়ে যায়!
জলপ্রপাতের সোজা যে ধারাটা নেমে আসছে তার পিছনে নাকি দাঁড়ানোর মত একটা জায়গা আছে!
আছে ওখানে দাঁড়িয়ে দেখা যাবে সামনে থেকে প্রপাতের খুমে নেমে যাওয়ার যে দৃশ্য...!!!
সাইফ নামার আগেই বলেছিলো, ওখানে নিয়ে যাবে!
আমার এই যুদ্ধের মাঝে সাইফ ওখানে পৌঁছে যায়।
যাইহোক ডুবে ভেসে কোনোমতে ওখানে পৌঁছলাম। কিন্তু পানির চাপের সাথে যুদ্ধ করে কিঞ্চিৎ ভয় ঢুকে গেছে মনে
যাইহোক ডুবে ভেসে কোনোমতে ওখানে পৌঁছলাম।
কিন্তু পানির চাপের সাথে যুদ্ধ করে যেটা তাড়িয়ে দেবার জোর চেষ্টা চালাচ্ছি!
খন এখানে এসে যদি ভয় পাই, ফিরে যেতে আর পারবোনা।
মানে স্রেফ মৃত্যু!

  শীতকাল হলেও পানিতে নেমে টের পেলাম পানির চাপ ছিলো ভয়াবহ!
সারাদিনের হাঁটার ক্লান্তি, না খাওয়ার সাথে যোগ হওয়া জলপ্রপাতের পানির চাপ।
কোনোমতে সাইফের নির্দেশিত স্থানে পৌঁছলাম।
কোনোমতে ওখানে দাড়িয়ে প্রচন্ড হাঁপাচ্ছি!
অদ্ভত এক ছোট্ট খাঁজের মত জায়গায় দাঁড়িয়ে আছি।
কোনোমতে দুইপা রাখা যাচ্ছে! এদিকে এই জায়গার দাঁড়ানোর আতঙ্ক ওদিকে কানের পাশে প্রপাতের গর্জনে খুমে নেমে যাওয়া!
চিন্তা ভাবনা সব গুলিয়ে যাচ্ছে!
আতঙ্ক জেঁকে ধরছে সব মিলিয়ে।
আর এই অপার্থিব সৌন্দ্যর্য দেখাতে, সাইফ চিৎকার করে বারবার আমাকে প্রপাতের দিকে মুখ করে ঘুরে দাঁড়াতে বলছে!
কোনোমতে দম একটা নিয়ে ঘুরে তাকালাম।
ইয়াখোদা! 
চোখের আধ-ইঞ্চি সামনে দিয়ে ভয়ানক গর্জন করে নেমে যাচ্ছে প্রপাতের ধারা!
আমি ঝট করে আবারও দৃষ্টি সরিয়ে নিয়ে উল্টো ঘুরে গেলাম!
হঠাৎ' করেই আমার প্রচন্ড শ্বাস কষ্ট শুরু হলো।

সাইফ জিজ্ঞেস করলো আমার এজমার সমস্যা আছে কিনা।
মাথা ঝাঁকালাম, নেই।
তখন আমাকে সাহস জুগিয়ে আবার তাকানোর জন্য উৎসাহ দিচ্ছে যে এরকম সুযোগ হয়তো আর কোনোদিন আসবেনা!
হাত বাড়িয়ে দিতে বলছে প্রপাতের মাঝে মজা দেখতে।
অল্প একটু ঘুরেই একহাত বাড়িয়ে দিলাম এবং পরক্ষণেই মনে হলো আমার হার্টবিট দেড়শ পেরিয়ে গেছে একলাফে!
কারণ প্রপাত এত তীব্র গতিতে নেমে আসছে যে মনে হলো সেকেন্ডের ভগ্নাংশ দেরি হলেই হয় আমার হাত খুলে চলে যেত অথবা আমিই পড়ে যেতাম, এত প্রচন্ড ভয়াবহ চাপ!
এরপর আমার শ্বাস কষ্ট আরো বেড়ে গেলো।
একদমই নিঃশ্বাস নিতে পারছিনা, রিতীমত ফুঁপিয়ে কান্নার মত করে হেঁচকি তুলছি  নিঃশ্বাস নিতে না পেরে।
এটা দেখে সাইফ আর দেরি না করে ফিরে যাবার সিদ্ধান্ত নিল।
জিজ্ঞেস করলো যেদিক দিয়ে এসেছি ওদিক দিয়েই যাব না উল্টা দিক দিয়ে বেরুবো।
আমি উল্টা দিক দিয়ে বেরুনোর সায় দিলাম যদিও, কিন্তু আতঙ্কে , শ্বাসকষ্টে আর ঠান্ডায় আমি ওভাবেই জমে রইলাম।
সাইফ তাড়া দিচ্ছে জলদি করতে নইলে পানি বেড়ে যাচ্ছে খুমের!
পরে আর যেতে পারবোনা তখন!
আমি দম নিয়ে মাথা ঝাঁকাতেই সাইফ লাফ দিল খুমে, কিন্তু আমি যেন কিছুতেই পা জোড়াকে নড়াতে পারছিনা।

সাইফকে সাঁতরে চলে যেতে দেখে অনেকটা আতঙ্কেই লাফ দিলাম এবং ভুল জায়গায় লাফটা দিলাম যেখানে না দিতে বারবার আমাকে সাবধান করে বুঝিয়ে দিয়েছে।
অর্থাৎ খুমের হার্টে!
আর যাই কোথা প্রপাত এসে সোজা চেপে ধরলো।
আমি যতই হাঁচড়ে পাঁচড়ে উপরে উঠতে চাই, পানি আবার আমাকে চেপে ধরে।

চেষ্টা করছি মাথা ঠান্ডা রেখে সাঁতরে উপরে উঠতে।
কিন্তু এরকম ব্যর্থ হাত পা ছুঁড়ে উল্টো অবশ হয়ে হাত পা ছেড়ে দেয়া শুরু করলো
এরকম করতে করতে একসময় নাকে মুখে পানি খেতে খেতে ডুবতে শুরু করলাম!

আর তখনই ঝাঁঝের কারণে ঝটকা দিয়ে আরেকবার উঠার চেষ্টা করতেই দেখি সাইফ।
বাড়ানো হাতটা খপ করে ধরলাম।
টান একটা দিতেই আমি  নরক থেকে খানিকটা বেরিয়ে এলাম।
তারপর একসময় মনে হলো অনন্তকাল পর অবশেষে একটা পাথরের খাঁজ খুঁজে পেলাম।
ওটাতে ঝুলে একটু দম নিয়ে সাইফের দেখিয়ে দেয়া জায়গায় ওঠে এলাম। 
এদিকে বেচারা আকাশ ভাই টেরই পাননি এতবড় ঘটনা হয়ে গেছে খুমের ভেতর।
আমাদের উঠে আসতে দেখেই উনি আমাদের উদ্দ্যেশ্যে গান ধরলেন!

মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসার পরবর্তী অবস্থা!

যদিও এসব স্মৃতি দেখে এখন হাসি মনে মন!! 
ওই মুহূর্তটা মনে পড়লে এখনো শিউরে উঠি এই ভেবে বেঁচে ফিরেছিলাম কিভাবে!!!
ওই খাঁজে কোনোমতে ওঠে বসে আমি আর সাইফ টের পেলাম কি থেকে ফিরে আসছি।
সাইফ বারবার আমার দিকে তাকাচ্ছিল আর মাথা নাড়ছিল যেন এখনো বিশ্বাস করতে পারছেনা এসব কিছু!
"আপনি বুঝতে পারছেন আপনার কিছু হলে কি হতো! আপনি...আপনি..." ঠিঠি করে দাতে বাড়ি খেতে  গিয়ে সাইফের কথাগুয়ালো সম্পূর্ণ হলোনা।
আর আমিত কিছু বলার আর ভাবার অবস্থাতেই নেই।
একসময় সাইফ তাড়া দিলো কাপড় পাল্টে নেবার জন্য।
এখানে থেকে নেমে আবার আরেকটু সাঁতরে যেয়ে পাড়ে উঠতে হবে!
বেশ কিছুক্ষণ আমি সাইফের টি-শার্টের হাতা আঁকড়ে বিহ্ববলের মত বসে রইলাম আর ঠান্ডায় কাঁপতে থাকলাম।
তারপর একসময় নেমে  সাঁতরে উপরে উঠলাম অবশেষে!


Popular posts from this blog

অভয়নগর ভয়: টেরাকোটার খোঁজে

টেরাকোটা, মন্দির, যুগের-কালের সাক্ষী রেখে সুউচ্চ দাঁড়িয়ে থাকা ইমারত দর্শন আমার ভীষণ আগ্রহের। মনে পড়ে, দিনাজপুরের দিকে যেবার গেলাম, কান্তজীর মন্দির দেখার জন্য কত কাহিনী। একদিন গেলাম বন্ধ, পরেরদিন গেলাম বন্ধের ঠিক আগে দিয়ে তাই ঢুকতে দিলনা, তারপর অবশেষে তৃতীয় ধাক্কায় সঠিক সময়ের ব্যাপার বুঝে যেতে পড়েছিলাম তাও একদম সন্ধ্যার ঠিক আগে মুহূর্তে। ভালোভাবে দেখা হয়নি। ১১-শিব-মন্দির দেখতে যেয়েও আমাদের সেরকমই ঝক্কি হলো। এমন না যে এটায় কান্তজী'র মন্দিরের মতো সাঁঝের বেলায় মন্দিরের দরজা বন্ধ করে দেবার ব্যাপার ছিল, তবে ঘোর গহীনে, প্রায় বনের মাঝে অন্ধকারে দেখবার কোনো সুযোগই থাকতোনা। আমার ইচ্ছে ছিল, বিকেল বিকেল পৌঁছে, মন্দিরের মঠে বিকেল আর সন্ধ্যা ঘনানো দেখবো। কিন্তু সেদিন আমাদের ঘোরার শেষ দিন, অথচ বাকি ছিল কত কিছু, সে জন্য দিনের পরিকল্পনাটা একটু ঘটনাবহুল ছিল। খুলনা থেকে বাগেরহাট একদিকে, আর অভয়নগর একদম সোজা উল্টো দিকে, যশোরের রাস্তায়। চুই-ঝালের গরুর গোস্ত দিয়ে পেট টান করবার পর মনে হলো একটা ভাত ঘুম দেই কিন্তু সে সুযোগ নেই। সবাইকে ঠেলেঠুলে নিয়ে আবার বসে চেপে বসলাম অভয়নগরের উদ্দেশ্যে। ওখানে নেমে মন্দিরের...

লোকাল ট্রেনে এক রাত্রি (কিশোরগঞ্জ হাওড় হয়ে অষ্টগ্রাম দিয়ে ব্রাক্ষ্ণণবাড়িয়া)

নিলয় ভাইয়ার কাছে ঢাকার লোকাল ট্রেনের গল্প শুনে বেশ "এডভেঞ্চারাস" মনে হবার দরুণ চড়ার সখ ছিলো।  যদিও সবাই মানা করতো সবসময় যে, লোকাল-ট্রেন খুবই বাজে আর রাতের বেলাতো রীতিমতো নরক! কোনো মহিলার চড়বার যোগ্য না!  কিন্তু একদিন, পূর্ব প্রস্তুতি ছাড়াই সেই নরক দেখার সৌ/দূর্ভাগ্য হয়েছিলো একবার। . রেমা-কালেঙ্গা অভয়ারণ্য ভ্রমণ শেষে  পরদিন আমরা যাবো কিশোরগঞ্জ হা ওড় ঘুরতে। কিশোরগঞ্জ হাওড় হয়ে অষ্টগ্রাম দিয়ে ঘুরে পানি পথে কুমিল্লা দি য়ে বেরিয়ে চিটা গং ব্যাক করবো এরকম প্ল্যান ছিলো আমাদের! কিন্তু শেষ দিকে এসে নানান কারণে একটার পর একটা প্ল্যান ভেস্তে যায়।  আর আমরা টুকুর টুকুর করে ভেঙে ভেঙে আসতে থাকি!  এভাবে আমরা কুমিল্লা অব্দি যেতে না পেরে  ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া পর্যন্ত আসতে পারি।  ওখান থেকে আর কোনো না পেয়ে, আমরা যখন লোকাল ট্রেনে উঠি তখন সম্ভবত প্রায় রাত ৮/৯টা! . অন্তত কোনোমতে কুমিল্লা অব্দি যেতে পারলেও হচ্ছে, ওখান থেকে অহরহ চিটাগাংএর গাড়ি পাওয়া যাবে।    চিন্তা একটাই, ট্রেনে অন্তত একটা সিট পেতেই হবে। পুরাটা রাস্তা শিহাব ভাইএর পক্ষে দাঁড়িয়ে যাওয়া সম্ভব না।  [বি...

শ্রীহট্ট দিনলিপিঃ তানিমের গোলাপিনেশা

তানিমকে আমেরিকায় স্কলারশিপের জন্য প্রস্তুতি নিতে দেখতেসি বেশ ক'বছর ধরেই। হুট করেই সেবার যখন সুখবরটা পেলাম যে ওর স্কলারশিপ কনফার্ম, বিশ্বাস হতে চায়নি। ১৫/১৬ তারিখের দিকে শুনি ২২ তারিখে ওর আমেরিকার ফ্লাইট। আমার মাথায় কনগ্রাচুলেশন জানানোর আগে শুরুতেই যেইটা মাথায় কাজ করেছিল তা হলো, "আয়হায়! তানিমের না আমাকে ওর নতুন রেসিপির বিরিয়ানী রান্না করে খাওয়ানোর কথা! একবার আমেরিকা পার হইলেত আর ওকে পাবার সম্ভাবনা প্রায় নাই! সেজন্য ভাবলাম সামনে যে ৩দিন ঈদের ছুটি আছে, তাতে খুব ঝক্কি-ঝামেলার হলেও সিলেট ঢুঁ মেরে আসি। অন্তত বিরিয়ানী খাই না খাই ছেলেটার সাথে একবার দেখা করা উচিৎ। কে জানে আর কখনো দেখা হবে কিনা। তানিমের সাথে কথা হলে জানলাম, কোভিড টেস্টের কারণে সে বাড়ি থেকে বের হতে পারবেনা। বিরিয়ানী রান্নাতো অনেক দূরের কথা। কিন্তু একেতো লকডাউন, অফিসের কাজের প্রচুর চাপ, আমি ৩/৪ দিন না থাকলে যে কেউ ব্যাকাপ দিবে এমন লোক নেই! তারউপর আমার লাইন-ম্যানেজার ছুটিতে তার দেশে যাবে। তার কাজ, দায়িত্ব বুঝে নেয়া সহ আর দৈনন্দিন নিত্যদিনের ঝামেলাতো ছিলোই। সুতরাং কাজের চাপ স্বাভাবিকের তুলনায় কয়েকগুণ বেশী। সব মিলিয়ে আমারও ...