Skip to main content

Posts

Showing posts from May, 2020

জলপ্রপাতের নীচে আমার সলিল সমাধি যেভাবে ভেস্তে গেলো!

আমাদের যাযাবর ঘর... সকালে দলিয়ান পাড়া থেকে রওনা দিয়ে সারাদিন মোটামুটি একটানা হেঁটে আমরা যখন গন্তব্যে পৌঁছলাম তখন প্রায় সন্ধ্যা! সারারস্তা খুবই উপভোগ্য ছিল। মাঝেমধ্যেই অসাধারণ কিছু জুম ঘরের দেখা পাওয়া, আকাশভাইএর কাওইয়ালি গলায় গলা ছেড়ে গাওয়া গান যেটা কিনা আশেপাশের পাহাড়ে প্রতিধ্বনি হচ্ছে, আমাদের হাসি ঠাট্টা... সারারাস্তা এভাবেই হাসি আনন্দে উল্লাসে এসেছি সবাই!  নাফাখুমে আমরা আজকে ক্যাম্প করব । দলিয়ান পাড়া থেকে রেমাক্রি ফিরে যাওয়ার নতুন রাস্তা আবিষ্কার হিসাবে আমরা এই পথ বেছে নেই অনেকটা এডভেঞ্চারের সখে! তখন শীতকাল! পাহাড়ি শীত এমন ঠাটিয়ে নামে রাতে, মনে হবে বাংলাদেশের কোথাও না, যেন আলাস্কায় আছি! আমরা সবাই প্রপাতের আশেপাশে ইতস্ত ঘুরাঘুরি করে যারযার মত উপভোগ করছি এমন সময় আমাদের চমকে দিয়ে ঝুপ করে সাইফ দেখি খুমে ঝাঁপ দিলো! ওকে ইতস্ত সাঁতরে বেড়াতে দেখে আমারও লোভ লেগে উঠলো।

বনে-বাদাড়ে ঈদঃ রোয়াংছড়ি উপাখ্যান

৫টা দিন টানা ছুটি কি আর সহজে পাওয়া যায় অথচ কোনো কাজেই লাগাতে পারছিনা। কতগুলা কালেভদ্রে'র "কে উকেটা" ভ্রম নেৎসু মানুষের জন্য আমাদের মত "বাঁচতে হলে ভ্রমণ করতে হবে" ধরণের দরিদ্র ভ্রমণপ্রেমীদের হয় যত বিপদ! এরকম "দাদা! নিয়ে চলেন যত টাকা লাগে দিবো" ঘটনায় অভ্যস্ত হয়ে, বর্তমানে বান্দরবনে গাইডদের দাবী শুনে আঁতকে উঠতে হয়! যার জন্য বহুদিনের বানানো দুর্দান্ত একটা প্ল্যান কেবল বাদ দিতে হলো গাইড খরচ পোষাতে না পারার জন্য! সেবার ঈদের আগে এতসব মিলিয়ে মন মেজাজ বেশ খারাপ। শেষে জেদ চেপে গেল একাই যাবো! যেদিকে  ইচ্ছে সেদিকে যাব! যা হয় হবে! রোয়াংছড়ির দিকে কখনো যাইনি আগে একবারও! কবে থেকে কেবল পাইখ্যং পাড়ার নামই শুনে আসছি! এবার ওদিকেই যাবো। যেহেতু এ কা তায় আবার কোনোদিন যাইনি, পথঘাটও চিনিনা। তাই বেশী ভেতরে না যেয়ে কোনো এক পাড়ায় ২/৩ দিন কাটিয়ে দিবো এই চিন্তাভাবনা। . যেহেতু কোথাও কোনো চেনাজানা নাই, সতীশ কে ধরলাম পাড়া থেকে কাউকে ম্যানেজ করে দিতে! নানান ঝামেলার পর অবশেষে পাইখ্যং পাড়ায় থাকার বন্দোবস্ত হলে, এখানেও বাগড়া! রোয়াংছড়ি পৌঁছে জানলাম, আমাদের কাবিল-ভ্রমণেৎসু ট্র...