বান্দরবনের ভেতরে ভয় থাকে সাপখোপ, বন্যপ্রাণীর। আর বিচ্ছিরি রকমের জোঁকের। হাত বাড়ালেই বোধহয় এক মুঠো মেঘ নেয়া যাবে বিশেষ করে টাইগার জোঁক! তারচেয়ে বড় আতঙ্ক থাকে শান্তি বাহিনীর সামনে পড়া। আর হদিসই পাওয়া যাবেনা কার! আর আরো ভয় থাকে আর্মির সামনে পড়া। আর্মির হাতে একবার ধরা একবার পড়লে যা হবেনা! এরকম নিষিদ্ধ জায়গায় এডভেঞ্চার খুঁজতে যাওয়ার মজা হাড়েহাড়ে টের পাইয়ে দেবে। কিন্তু সেই ভয়াবহ ঘটনাই ঘটে গেলো একটু আগে! ডাবল-ফলস দেখতে গিয়ে আর্মির সাথে হয়ে গেলো শুভদৃষ্টি! তাও আবার দুইবার! . স্থানীয় ভাষায় এই ঝর্ণাকে বলে ত্লাবং! ত্লাবং-সাইতার! সিদ্ধান্ত ছিলো আজকে ভোরে উঠে এই ত্লাবং-সাইতার বা ডাবল-ফলস দেখে এসে মাত্রই দেরি না করে, খেয়েদেয়ে জাদিপাই-ঝর্ণার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যাবো। রাতে থেকে শুরু হয়েছে অনাকাঙ্ক্ষিত ঝুম বৃষ্টি! ডাবল কম্বল গায়ে দিয়ে যে চরম একটা সুখের ঘুম হলো… সকালে ছ'টায় উঠার প্রতিজ্ঞা করে ঘুমালেও, উঠতে উঠতে আটটা বেজে পার! ডাবল-ফলসের শেষ ওঠা আর নামার রাস্তাটা জুমের পাশ দিয়ে গেছে, যেটা ভালোই ট্রিকি আর এই সারারাত বৃষ্টিতে ভিজে নিঃসন্দেহে আরো বিপদজনক হয়েছে। তারউপর এই বৃষ্টিতে ...
Rhapsodies of a wanderlust bug, fuzzing and buzzing around the world!